Showing posts with label odisha. Show all posts
Showing posts with label odisha. Show all posts

Wednesday, April 8, 2020

Travel To Olasuni Pahar ওলাশুনি _TravelBlog Odisha

। ০৮ই মার্চ ২০২০।
ওলাশুনি। এই দেবতার নাম অনেকেই শোনেননি। আমরাও জানতাম না। পারাদ্বীপ থেকে ৫৭ কিমি দূরে ওলাশুনি পাহাড়ে বিরাজমান এই দেবী। সকাল ১১.৩০টায় বেড়িয়ে পড়লাম আমরা। শেষ ১২ কিমি রাস্তা খুব মনরম। দুইপাশে ছোট পাহাড় আর সবুজের ঘনঘটা। বেশ কিছুটা পাহাড়ের আঁকা-বাঁকা পথ পেরিয়ে আমরা হাজির হলাম আমাদের গন্তব্যে। সময় লাগল ১.৩০ ঘণ্টা। Parking space এর কোন অভাব নেই। Parking fee ২০ টাকা, ঘণ্টা হিসেবে নয়। এখানে জানিয়ে রাখি যে রাস্তায় কোথাও খাবার জায়গা নেই, তাই সেই রকম প্রস্তুতি নিয়ে বেরনই ভাল। পৌঁছতেই আমরা এক বিশাল ভীড়ের সম্মুখিন হলাম। বোঝা গেল, যে এই দেবতা খুব জাগ্রত এবং ভক্তদের ভালই সমাগম হয়। আমরা এগিয়ে প্রবেশ করলাম মন্দিরের মধ্যে। এই মন্দির বিখ্যাত হয় জনৈক odiya লেখক, দার্শনিক এবং যোগী আরক্ষিত দাস এর কারণে। আরক্ষিত দাস জন্মেছিলেন গঙ্গা রাজবংশে অষ্টাদশ শতাব্দিতে। তিনি সমগ্র Kalinga (Odisha) ভ্রমন শুরু করেন উপযুক্ত ধ্যান করার স্থানের সন্ধানে। অবশেষে এসে উপস্থিত হন ওলাশুনি পাহাড়ে, যা সেই সময়ে কেন্দ্রাপাড়ার রাজা রাধাশ্যাম নরেন্দ্রর অধিনে ছিল। আরক্ষিত দাস এর অনুরধে রাজামশাই রাজি হন তাঁকে ওই পাহাড়ে থাকতে দেন। আরক্ষিত দাস শুরু করেন ওলাশুনি মাতার আরাধনা এবং ধ্যান সাধনা। ১৮৩৭ সালের ১৯শে জানুয়ারী আরক্ষিত দাস আত্ম-সামাধি নেন ওই স্থানেই।
বাইরে জুতো খুলে মন্দিরে প্রবেশ করতে হয়। মন্দিরের ভিতরে প্রসাদ এর দোকান রয়েছে। কেউ চাইলে প্রসাদ, মুলত মিষ্টি, কিনে পুজো দিতে পারেন। ওলাশুনি দেবি ছাড়াও জগন্নাথ দেব এবং মহাদেব এর মুর্তি রয়েছে। পরিছন্নতার ওপর বিশেষ নজর আছে মন্দির কর্তৃপক্ষের। সব দেবতা আর দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে আমরা বেরয়ে পরলাম ফিরে আসার জন্যে।

Watch the video till the end to know more about the place
Olasuni

নীচে কিছু ছবি শেয়ার করলাম। এর সাথে আমাদের channel এর ভিডিও link ও শেয়ার করা রইল। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। পুরীতে বেড়াতে এসে অবশ্যই ঘুরে জেতে পারেন ওলাশুনি পাহাড়ের মাথায় অবস্থিত এই মন্দির।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
ভুবনেস্বর থেকে দূরত্বঃ ৮৭ কিমি , ২ ঘণ্টা । কটক থেকে দূরত্বঃ ৬৫ কিমি, ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ।
বাসের সুব্যাবস্থা না থাকায় রেলওয়ে স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে আসাই ভাল।











Tuesday, April 7, 2020

One day trip to Lalitgiri Odisha Tour,ললিতগিরি ,ওড়িশ্যার _ Bangla Travel blog

ললিতগিরি । ৮ই মার্চ ২০২০।

কাজের সুত্রে ওড়িশ্যার পারাদ্বিপে আমাদের বসবাস । এক অলস রবিবারে ঠিক করলাম কাছাকাছি কোথাও বেড়িয়ে আসি। যেমন ভাবনা তেমনি কাজ। গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পরলাম ললিতগিরির উদ্দেশ্যে। সহকর্মীদের থেকে শুনেছিলাম জায়গাটি ভাল। এক্টু ধারনা ছিল যে জায়গাটিতে বৌদ্ধ ধর্মের প্রাচীন নিদর্শন আছে। পারাদ্বিপ থেকে ৬০ কিমি দূরে অবস্থিত ললিতগিরি । ভুবনেস্বর থেকে দূরত্ব ৯০ কিমি এবং কটক থেকে ৬০ কিমি। রাস্তা খুব ভাল, যদি কেউ মনে করেন zoomcar থেকে গাড়ি নিয়ে নিজেরা drive করে আসবেন, নিঃসন্দেহে তা করতে পারেন। আর তা না হলে, কটক কিংবা ভুবনেস্বর থেকে গাড়ি ভাড়া করে আসতে পারেন।






Public Transport এর সুব্যাবস্থা নেই, তাই সেই চেষ্টা না করাই ভাল। আমরা ১.৫ ঘণ্টার মধ্যে পউছে গেলাম আমাদের গন্তব্যে। সুবিশাল parking lot থাকায় গাড়ি রাখার কোন সমস্যা নেই, parking নিঃশুল্ক। প্রবেশ দ্বারের পাশেই রয়েছে টিকিট কাউন্টার। প্রবেশ মুল্য মাথাপিছু ২৫ টাকা।




ওড়িশ্যার রত্নগিরি, উদয়গিরি এবং ললিতগিরি – এই তিনটি স্থানকে একসাথে Golden Triangle বলা হয়। গৌতম বুদ্ধ কোনদিন ওড়িশ্যা না এলেও মৌর্য সম্রাজ্যের সময় (খ্রিষ্ট পুর্বাব্দ তৃতীয় শতক) সমগ্র Asia তে যে ব্যাপক হারে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার ঘটে, তার প্রভাবেই এই স্থাপত্যগুলির নির্মাণ হয় বলে মনে করা হয়। ভিতরে প্রবেশ করার পর সবচেয়ে প্রথমে যা দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তা হল পরিচ্ছন্নতা। দেখেই বোঝা যায়ে, জায়গাটি পরিস্কার রাখতে প্রশাসনের সুনজর আছে। কিছুটা এগিয়ে যাবার পর উপস্থিত হলাম একটি Air Conditioned মিউজিয়ামের সামনে। মিউজিয়ামটির ভিতরে ফটো তোলা নিষেধ। হরেক রকমের পাথরের ফলক এবং বৌদ্ধ মূর্তি রাখা রয়েছে স্থানটিতে। Golden Triangle এ খনন কার্য চালানো হয় ১৯৮৫ থেকে ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ অব্দি। তার ফলস্বরুপ কাঁচ দিয়ে ঢাকা এই সব ফলক এবং বুদ্ধ, বোধিসত্ত্ব, তারা, জাম্বালাদের মূর্তি। সব থেকে ভাল লাগে, ভিতরে guide এর কোন উপদ্রব নেই। প্রতিটি relic এর পাশে হিন্দি ও ইংরেজিতে তার বিবরণ লেখা আছে। তাছারাও যে সুরক্ষাকর্মিরা মিউজিয়ামের মধ্যে থাকেন, তারা সুন্দর বর্ণনা দিয়ে অনেক সাহায্য করেন। একের পর এক স্থাপত্য প্রত্যক্ষ করার সময় মনটা যেন হাজির হয়ে যায় সেই রাজকীয় ঐতিহাসিক সময়ে।




এর পর বাইরে বেরিয়ে হাঁটতে লাগলাম ভিতরের দিকে। পথের দুই পাশে অতিক্রম করলাম একাধিক ভগ্নাবশেষ। এই গুলির মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য হল চৈত্যগ্রিহ বা প্রার্থনাগৃহ। ইঁট দিয়ে নির্মাণ করা ১০৮ X ৩৬ ফুট মাপের জায়াগা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ২৩০০ বছরের পুরনো ভগ্নাবশেষ। এর কেন্দ্রস্থলে রয়েছে একটি গোলাকার স্তূপ। আরও কয়েকটি স্থাপত্য পার করে পৌঁছে গেলাম ললিতগিরির শেষ প্রান্তে একটি বেশ বড় স্তূপের সামনে। এই স্তূপের মধ্যে থেকেই নাকি খনন কার্যের সময় পাওয়া গেছে একটি পাথরের, একটি রুপোর আর একটি সোনার ছোট বাক্স। এই বাক্সগুলি বর্তমানে রাখা আছে ওই মিউজিয়ামের মধ্যে। এই স্তূপটি একটু উঁচুতে অবস্থিত এবং পৌঁছতে কয়েকটি সিঁড়ি ভাঙতে হয়। ওপর থেকে অনতিদূরে গ্রাম এবং সবুজ রঙের ছোট পাহাড় দেখা যায় – বেশ মনোরম দৃশ্য।




এখানেই শেষ হল আমাদের ললিতগিরি ভ্রমণ। ভিতরে কোন ব্যাটারি কার বা রিক্সার ব্যাবস্থা নেই। পুরো জায়গাটি হেঁটেই ঘুরতে হবে। সময় লাগে ৪০-৫০ মিনিট। জলের বোতল বাইরে থেকে সঙ্গে নিয়ে ঢুকতে হবে, কারণ ভিতরে কোন দোকান নেই।

বেশ কয়েকটি website ঘেঁটে জানতে পারলাম যে এই জায়গা থেকেই নাকি উৎপত্তি বজ্রায়ন বা তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের, যা পরবর্তী কালে ছড়িয়ে পড়ে তিব্বত, মঙ্গোলিয়া, ভূটান এবং অন্যান্য উপমাহাদেশে। তিব্বতের ইতিহাসে নাকি লেখা আছে যে সম্বল্পুরের রাজা ইন্দ্রভুতি প্রথম শুরু করেন বজ্রায়নের এবং এই Golden Triangle এর থেকে ক্রমে তা ছড়িয়ে পড়ে Asia মহাদেশে। আজ গোটা বিশ্বে বৌদ্ধ ধর্মের ২ কোটির বেশি মানুষ এই বজ্রায়নের অনুগামী। অর্থাৎ ললিতগিরি ঐতিহাসিক তাৎপর্যে সম্পূর্ণ। তাই যদি কখনো পুরী ভ্রমণ করতে বা কর্মসূত্রে ভুবনেস্বর বা কটকে আসেন, তাহলে একবার স্বচক্ষে দেখে যেতেই পারেন আমাদের দেশে পৃথিবীর চতুর্থ বৃহৎ ধর্মের উজ্জ্বল অস্তিত্বের রাজকীয় ইতিহাস।


Subscribe
Lalitgiri Travel Video Link
Watch the Video and dont forget to subscribe and support our channel. Video in English








Tuesday, August 21, 2018

A Visit to Ratnagiri Odisha


While sipping on the hot cup of tea on a Sunday morning , I asked my husband if there were any good  location to visit nearby Paradip. I was bored and exhausted and needed a mini few hours of change. Instantly he jumped with an option of visiting Ratnagiri  a heritage site. Though I am not a fan of such places but I do not have much option.
We checked on google map for direction and decided to explore it on the same day in the noon time. 

Ratnagiri is about 60 km from Paradip .Located  in the Jajpur district of Odisha, it  is known for  the excavation of Stupas, Monasteries and Votive Stupas. Historian says that these stupas might have been erected by the Guptas. The  site was discovered in 1905 and excavations was carried out in 1958 to 1961.

The village roads were extremely narrow and full of potholes. The cattle's were carelessly crossing roads . Google direction was working fine until we lost the signal.  Like a Pro desi we asked for direction and ended up late to the site.
Mini Hiking

Because of the monsoon the surroundings were green. 
After collecting our tickets from the ticket counter we headed   The road leads to  stairways and off to the site.  I was  upset seeing the stairs as I thought I would use the stroller for my baby. 


Towards the sight



The beautiful blue entrance to the monastery. 

Excavated Buddha's head of different sizes
Sanctum with a colossal Buddha figure

Votive Stupas


Sculpture  excavated in the 11th century.


The area was open and the heat of the sun was unbearable. By 4pm we started our journey towards home. There were other sites too Udayagiri and Lalitagiri but we didn't have time to visit the place.


Did you visit Paradip in Odisha? Do share what other places I can explore from their. Jungle might not be an option for me yet with a small baby.

Chandaka Deras Nature Camp

দেরাস নেচার ক্যাম্প - চান্দাকা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাঙ্কচুয়ারি বিস্তীর্ণ ঘন সবুজ অরণ্য, সুনীল জলরাশি, অদূরে ছোট পাহাড়, আকাশে টুকরো মেঘের আন...